Header Ads

Header ADS

আমাদের সমাজ ব্যাবস্থা

সাম্যবাদী শব্দটা একটা শব্দ নয় এটা যেন একটা প্রতিচ্ছবি প্রকাশ করে সামানাধিকারের।
আজকাল বহুল ব্যবহৃত শব্দও এটি আর কেনই বা হবেনা যেখানে বৈশম্য বিদ্যমান সেখানে তো সাম্য ন্যাজ্য দাবিতে বহুল ব্যাবহৃত  হবেই!কালে কালে কবি,লেখক,সমাজসেবক মহা মানবেরা সাম্যের নানান দাবি নানান কাজ করে গেছেন। তাইবলে কি আজ আমরা আমাদের সমাজে সমানাধিকার দেখতে পাচ্ছি?সেটা একটা বড় প্রশ্ন।প্রশ্ন যখন আছে উত্তর ও থাকবে নিশ্চই আর সেটা সমাজের মধ্যেই বিদ্যমান আশুন আমরা উত্তরটা খোজার চেষ্টা করি - সাম্যবাদীর সঙ্গানুসারে সমাজটা যদি একটা প্লেট হয় তাহলে প্লেটে রাখা সকল ভাত(ধন,সম্পদ) সমান ভাবে প্লেটে ছরানো থাকবে কিন্তু আমরা কি সমাজ টাকে প্লেটের মোত দেখছি? মোটেই না বরং আমরা তার উল্ট চিত্রটাই দেখছি আমাদের সমাজটা বাস্তবিক ভাবে উল্টো বাটির মোত যেটাতে ভাত রাখা হলে উপরেরদিকেই ভাত থেকে জায় এবং উপরে পাহারের ন্যায় স্তুপ সৃষ্টি হয় কিন্তু নিচে আর আশে না।জদিয়ো  কিছু নিচে আশে সেটা একদমি নিচে চলেজায় ধরাছোয়ার বাইরে। কাল্পনিক হলেও বাস্তবিক ভাবে আমি এটার সাথেই সমাজের মিল খুজেপাই সামানাধিকার এবং মতাবলম্বীর। সমাজের কয়েক শ্রেণীর মানুষ দেখি যেখানে বাস্তবতাটা হলো কেউ মরে বিল সেচে কেউ খায় কৈ এমন, কারণ এই কয়েক শ্রেণীর মানুষের মধ্যে ১।হতদরিদ্র ২।নিম্নবিত্ত ৩।মধ্যবিত্ত ৪।উচ্চবিত্ত ৫।শর্বস্তরের শাশক বিদ্যমান। হত দরিদরিদ্র শ্রেণীর লোক যাদের কিছুই নেই নিজের শ্রম আর ইচ্ছা শক্তি ছারা কিন্তু এরাই সমাজের চাকা বলাজায় এরা সমাজকে সামনে নিয়ে জায় কিন্তু এদের সমান অধিকার তো দুরেই থাক তারা সমাজে কিছু অবদান রাখারার সিকৃতি টুকুও পায় না। তাহলে সাম্য কেথায়? সমান ওধিকার কোথায়? তারা কি শুধু সিকৃতি থেকে বণ্চিত না তারা আশোলে কলুর বলদের ন্যায় বিবেচিত।তরা শিক্ষা থেকে বণ্চিত তারা বাসস্হান হতে বণ্চিত তারা চিকিৎসা থেকে বণ্চিত এরা দাবার চালের সামনের সৈন্যদের ন্যায় যাদের আগে আগে ব্যাবহার করে নিশ্বেস ও করে দেওয়া হয় আবার শেষে নিজের হাতের ক্ষমতা বানিয়ে কাজে লাগানো হয় আর এত কিছু তে শর্ত ভোগি কে? সেটা আমরা সবাই জানি। তবে দুঃক্ষের বিষয় হলো যে এই হতদরিদ্র মানুষগুলোর কাছে "সাম্য" অধিকার নয় অনুগ্রহ,দান হিসেবে পরিচিত।  নিম্নবিত্ত যদের পরিশ্রমেই অর্থনীতি সচল তারাও উপেক্ষিত পদে পদে তাদের শ্রমের মূল্য ১লা 'মে' তেই বিদ্যমান এছারা নয়।এরা নিজের অধিকার চায় শ্রমের মূল্য চায় কিন্তু যেখানে সমাজটা উল্টানো বাটি সেখানে অন্ন যে উপরেই স্তুপ।তারপরে আশে মধ্যবিত্ত এরা আশলে দুদিকথেকে দুইটা রশি দিয়ে বাধা এদের সামর্থ থাকেনা তবে পকেট ভরা আত্বসম্মান থাকে  যেটা সমানাধিকার চাওয়াটাকে নিচু চোখে দেখায়, আশলে নিচু বল্লে ভুল হবে এরা  আশলে লাজের চোখে দেখে। এরা মূলত ওই বাটির একদমি ম্যখানে অবস্হানের মোত, না পায় খেতে না পরে নিচে নামতে।এবার আশাযাক ৪ নাম্বারে যারাকিনা সেই বিল সেচ দেওয়া কৈ মাছ গুলো ভোগি শ্রেণী আর এই সকল শোষক আবার শোষিত হয় শর্বস্তরের খাদকের কাছে যারা ওই বাটির স্তুপের পাহারে বশে সাম্যের গানে অট্টহাশিতে নাচে। আর এটাই হল আমাদের সমাজের বাস্তবিক অবস্থা!! কিন্তু এমনটাই কি হওয়ার কথাছিল? সমাজের চিত্রটাকি অন্যরকম হতে পারতো না? যেখানে সাম্যের বানি গুলি সর্বস্তরে বিস্তৃত। যেখানে ধনি ধনবান কিন্তু লোভি নয়।যেখানে ধনবানের ধনের পাহার না জমে নদীর মত প্রবাহমান হবে।এমন এটা সমাজ যেখানে সমান অধিকার চাওয়াটা সাহায্য চাওয়া নয় বরং নিজের প্রাপ্তি সম্মান টুকু আদায় করে নেওয়া।এমন এটা সমাজ যেখানে সকলের কাধ সামান আর তার উপরে দেশ।এমন একটা সমাজ যেখানে কবিদের কবিতা বইয়ে ছাপা নয় বাস্তবতার অক্ষরে মুদ্রিত।এমন একটা সমাজ যেখানে সমাজসেবক কখনওই রাজনৈতিক নয়।এমন একটা সমাজ যেখানে সবার চেহারা ভিন্য ভিন্য কিন্তু পরিচয় টা মানুষের।এমন একটা সমাজ যেখানে পেষা শুধু সম্মান বহন করবে উচু নিচুর পরিচয়ের নয়।এমন কিছু মানুষ যারা অনৈতিক কাজকে মুর্খতা বলবে শিক্ষাবন্চিত দের নয়।এমন একটা সমাজ যেখানে সবার পরিচয় মানুষ হবে মুসলিম,খৃশ্চান ধর্ম পরিচয়ে নয়!
সুতরাং বলাজায় একটি শুগঠিত সমাজব্যবস্থা এবং উন্নত জাতি গরার প্রয়োজনে সাম্যবাদ অত্যান্ত গুরুত্ববহন করে আর তা না হলে সমাজ টা এমন বিক্ষিপ্ত ধনের পাহারের ন্যায় হয়ে জাবে যেখানে কেউ ফ্রাস্ট ফ্রুড খেয়ে জিমে জায় আর কেউ নাখেতেপেয়ে মৃত্যুর কোলে ।
অবশেষে বলতে চাই এটি আমার পারসোনাল মতামত এবং ব্লগে আমার প্রথম পোস্ট ভালোলাগলে কমেন্ট করে জানান আর আশাকরি  সাথে থাকবেন। ভুলত্রুটি মারজনীয় দৃষ্টিতে দেখবেন।

No comments

Powered by Blogger.