করোনায় করোনিয়ো
মহামারিতে করোনিয়ো কী আমাদের?
মহামারিতে কি করতে হবে তার আগে মহামারি কি সেটা জানতে হবে আমাদের_ মহামরি হলো এমন একটি যুর্যোগ যেটা সারা পৃথিবীকে আক্রান্ত করে এবং সারা পৃথিবী ময় দির্ঘক্ষন যাবৎ ক্ষতি শাধিত হয়। আর এই সঙ্গার প্রেক্ষিতে করোনা ভাইরাস বা covid-19 সকল শর্ত পূরণ করেই আমাদের আঘাত হেনেছে।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে যদি আর কোন মহা মারির কথা আশে তাহলে আমরা এখন সেটাই পার করছি।যুগে যুগে অসংখ্য মহামারি মানব সভ্যতাকে শাষণ করেছে কিন্তু সেগুলো কি করোনার মোত এতটা শক্তিশালী ছিল?আশুন আমরা ইতিহাসের দিকো দৃষ্টি রেখে বিষয়টাকে আলোকপাত করি-
বিশ্বব্যাপী ১৩,৮১,০১৪ আক্রান্ত হয়েছে
৮২হাজার মানুষ মারা গেছ। এমন একটি ভাইরাস যেটি পৃথিবীর টাকে এতটা নাকানিচুবানি খাওয়ায় নাই। আমরা যদি একটু লক্ষ করি তাহলে প্রায় প্রতি শতকেই আমরা মহামারি লক্ষ করি এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ মারাজেতে দেখি তারমানে আমাদের মহামারি সম্বন্ধে কম ধারণা হানাই কিন্তু তা থেকে আমরা কি শিক্ষা নিতে পেরেছি কি কি করোনিয়ো কাজ গুলো করতে পোরেছি সেটা একটি বড় প্রশ্ন। পৃথিবরদিকে তাকালে আজ মৃত্যুর মিছিল দেখছি লাশের স্তুপ দেখছি কন্তু এটার জন্য কি আমরা প্রস্তুত ছিলাম?আমাদের সাস্থ ব্যবস্থা কি প্রস্তুত ছিল?যদি প্রস্তিত থাকত তাহলে অবশ্যই পৃথিবীর ক্ষমতাধর রাষ্ট্র গুলি হাত তুলে দিতো না।আশলে আজ পৃথিবীর ক্ষমতাধর রাষ্ট্র গুলো শাষন,ত্রাষণ আর পারোমানবিক বোমায় শক্তিশালী।অন্য একটি দেশের সাথে যুদ্ধ লাগলে মানুষ মেরে ঝান্ডা উড়াতে প্রস্তুত কিন্তু জীবন বাঁচাতে নয় তা প্রমানিত হলো। আজকের এই মহামারি আমাদের এই পৃথিবীকে চোখো আঙ্গুদিয়ে দেখিয়ে দিলো তোমরা কতটা দুর্বল,তেমরা কতেটা বোকা। ক্ষমতার লরাইয়ে জয়লাভ করতে গিয়ে তেমরা নিজেদের অস্তিত্ব কে প্রশ্নের মুকে ঠেলে দিয়েছ। পৃথিবীর তথাকথিত ক্ষমতাধর রাষ্ট ফ্রান্স যার পরমানু বোমা ৩০০টি, যুক্তরাষ্ট্র য়ার পারমানবিক বোমা ৬ হাজর ৮০০ টি,চীন ২৭০ টি, যুক্তরাজ্যের ২১৫ টি সেই সকল রাষ্ট্রে আজ ভেন্টিলেটরের অভাবে মানুষ মরছে,হাসপাতালের মানুষের জায়গা নাই হাসপাতালের অভাবে মানুষ মারা যাচ্ছে,প্রতিশেধক নাই,PPE এর অভাব,পর্যাপ্ত কিট পাচ্ছে না অনেক দেশ। তাহলে কিশের এত ক্ষমতা?তাহলে কিশের এত আধিপত্য? পৃথিবীর সবগুলো রাষ্ট যদি প্রতিরক্ষা না দেখে একে অপরের জীবনের মূল্য দিতে শিখত তাহলে মনে হয় এমনটা হতো না বা হয়তো বা হতো তবুও তো বলাজেত আমরা ইতিহাস থেকো শিক্ষনিয়ে করোনিয়ো কাজ গুলো করতে পেরেছি।অন্তঃ আমরা আজ অপরাধ বোধে ভুগতাম না। করোনা আজ আমাদের নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে। নতুন ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে নিজেকে নিয়ে পৃথিবী কে নিয়ে নিজেদের ভালোকে নিয়ে।আমরা কি একটি শুন্দর পৃথিবীর আদোও আশা করতে পারি জদিনা আমরা নিজেদের ভালটা নাবুঝি জদিনা আমরা নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লরাই টা ছেরে দেই।
আমাদের শিরোনাম ছিল করোনায় করোনিয়ো কিন্তু করোনায় করনিয়ো বিষয় গুলো বার বার হাত ধোয়া,মাস্ক পরা,নিজের বড়িতে থাকা এই কাজ গুলোই কি স্থায়ি সমাধান?মেটেই না আমাদের করনায় এবার করোনিয়ো হলো শিক্ষা টা গ্রহণ করার। এই করোনা যে বিশ্ব মানবতা,বিশ্বে মানব অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সেটার উত্তর খোজা।আর জদি আমরা তা না পারি তাহলে আমাদের বার বার হাত ধুয়ে কোন লাভ হবে না।সময়িক বেচে পৃথিবীটাকে মেরেফেলে তো আর সমাধান হতে পারেনা সেটা হবে চরম বোকামি আর আমরা তার দিকেই ধাবিত হচ্ছি।
করোনা কিন্তু পৃথিবীর ক্ষতিই করেনি শুধু লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রান কেরে নেয়নি শুধু কিছু দিয়েও গেল আর সেটা কিছু উদাহরর কিছু শিক্ষা,,৩ মাস লক ডাউন সারা পৃথিবী অচল আর আমাদের দুষণ ৭৫ বছরের ইতিহাসে সবথেকে কমে গেছে। সারা পৃথিবীর যেন প্রণভরে শ্বাস নিচ্ছে, প্রকৃতি তার নির্মলতা প্রকাশ করছে যখন মানুষ স্থবির যখন মানুষ মুমুর্ষ। করোনা এটাই প্রমান করলো যে মানুষ আর পৃথিবীর কতোটা দুরে চলে গেছে একে অপরের থেকে করোনা এটাই প্রমান করলো যে মানুষ এখনও পুথিগত বিদ্যায় সিমাবদ্ধ মামবতার প্রশ্নে তরার নির্গুন,বিদ্যার পাতা হাতরে শুন্য হতে পৃথিবীকে ঘায়েল করছে। তবে এমন মহামারি ককনোই কাম্য নয়! মানব জাতি এশ সচেতন হই তবে আজঅব্দি যেটাকে তোমরা সচেতনতা ভেবে এসেছ সেটা নয়। বাথরুম পেলে বদনার খোজ সবাই করে সেটাকে যদি তোমরা সচেতনতা বলো তাহলে তোমরা মুর্খের রাজ্যের অধিপতি।আমাদের এখন শিক্ষা নিয়ে স্থায়িভাবে সমাধানে আশতে হবে আর তা না হলে আজ হয় তো আমরা হাত ধুয়ে,মাস্ক পরে বেচে জাব কিন্তু আমাদের পরবর্তি প্রজন্ম কে এক বিষ এর সামরাজ্যে পতিত করে জাব।তাই আশুন সচেতন হই, মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দারাই পৃথিবীটাকে বাচাই। শিক্ষাি জাতির মেরুদণ্ড আশুন আজ শিক্ষা নেই আগামিতে মাথা উচু করে দারাই জাতি হিসেবে পৃথিবীবাসি হিসেব.....!!

অনেক সুন্দর হয়ছে।
ReplyDeleteধন্যাবাদ।আমাদের সাথেই থাকুন
Delete